পবিত্র আহলেবায়াতের বারজন ইমাম (আঃ) গণ পঞ্চম ইমাম বাক্বির (আঃ) তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইমাম হোসেন (আঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, আমি ও আমার ভাই আমাদের নানা রাসুল (সাঃ) এর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম । রাসুল (সাঃ) আমাকে তাঁর এক উরুতে এবং ভাই হাসানকে অন্য উরুতে বসালেন । এরপর আমাদের চুমু খেলেন ও বললেন, আমার পিতামাতা তোমাদের দুই সৎকর্মশীল ইমামের জন্য কুরবান হোক । মহান আল্লাহ তোমাদেরকে নির্বাচন করেছেন আমার ও তোমাদের পিতামাতার মাধ্যমে এবং বাছাই করেছেন অপর নয়জনকে তোমারই বংশ থেকে, হে হোসেন । যাদের শেষ জন হবে তাদের ক্বায়েম । আর আল্লাহর কাছে তোমরা সবাই নৈতিক গুনে এবং মর্যাদায় সমান । -- ---সূত্র - কামালুদ্দিন, ২৬৯/১২ । পর্যালোচনা - রাসুল (সাঃ) এর অনুমোদিত ইমামগন যাঁরা নেতৃত্ব দেবেন, এ সংখ্যাটি হল বার । মহানবী (সাঃ) আরও বলেন, " তাঁরা সবাই বনী হাশিম থেকে " । এ প্রসংগে ইমাম আলী (আঃ) বলেন, " নিশ্চয়ই পবিত্র ইমামগন ও ধর্মীয় নেতারা কুরাইশ থেকে । যাঁরা এসেছে বনি হাশিম থেকে এবং বের হয়েছে ফাতিমা (সাঃআঃ) এর বংশ থেকে । ইমামত ও খেলাফত তাঁদের ছাড়া অন্যদের জন্য বৈধ হবে না এবং তাঁরা ছাড়া অন্য খলীফারা যোগ্য নয় " । রাসুল (সাঃ) এর এই হাদিসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ঐ বারজন ইমাম হবেন নবীজী (সাঃ) এর ইতরাত ও আহলে বায়েত থেকে এবং এটি সাহাবাদের মধ্য থেকে খলীফাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় । এটি খুবই স্পষ্ট যে, মহানবী (সাঃ) অত্যন্ত সঠিক ও স্পষ্ট ভাবে তাঁর ওফাতের পরে ইসলামের ভবিষ্যত নেতৃত্ব ও ইমামদের বিষয় কথা বলে গেছেন । এ ঘোষনার সূত্রপাত গাদীর এ খুমের ময়দান থেকে হয়েছিল । এই প্রসংগে কিছু সংখ্যক গবেষক বলেছেন যে, এই হাদিস উমাইয়া খলীফাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না । কেননা তাদের সংখ্যা বারোর অনেক বেশী । তাদের মধ্যে একমাত্র ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ ব্যতীত সকলেই ছিল স্বৈরাচারী । তারা বনি হাশিম থেকেও না, যা মহানবী (সাঃ) এর এ হাদিসের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ন - " তারা সবাই বনি হাশিম থেকে " । আবার এই হাদিস বনি আব্বাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে না, এ কারনে যে, তাদের সংখ্যাও বারোর বেশী । " -- নিশ্চয়ই আল্লাহ বেছে নিয়েছিলেন আদম ও নূহকে, এবং ইবরাহীমের বংশকে এবং ইমরানের বংশকে সব জাতির উপর ---" । সুরা - আলে ইমরান / ৩৩ । " -- নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের কাছ থেকে সকল অপবিত্রতা দূরে রাখতে, হে আহলে বায়েত এবং তোমাদেরকে পবিত্র করতে পূর্ন পবিত্রকরনের মাধ্যমে --- " । সুরা - আহযাব / ৩৩ । এখানে হাদিসে কেসার বিষয়টিও জড়িত । অতএব মহানবী (সাঃ) এর এই হাদিসটি অবশ্যই পবিত্র বারজন ইমামগনের সাথে সম্পর্কযুক্ত । কারন একমাত্র তাঁরাই ছিলেন মহান আল্লাহ কতৃক নির্বাচিত ও পুতঃপবিত্রতার গ্যারান্টিযুক্ত । এছাড়াও তাঁরা ছিলেন তাঁদের সময়ের লোকদের মাঝে সবচেয়ে জ্ঞানী, শ্রেষ্ঠ, সম্ভ্রান্ত ও পবিত্রতম । তাঁরা ছিলেন মহান বংশধর এবং আল্লাহর কাছে উচ্চতম মর্যাদার অধিকারী । তাঁদের জ্ঞানের উৎস হচ্ছে পিতৃপুরুষদের থেকে উত্তরাধীকার ইলমে লাদুন্নী বা ঐশী জ্ঞান । এভাবেই জ্ঞানী, গবেষকগন, চিন্তাবিদগন ও অর্ন্তজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরা তাঁদেরকে চিনে থাকেন । হাদীসে সাকালাইন, অন্যান্য হাদিসগ্রন্থ ও পবিত্র কোরআন দ্বারা এটা নিশ্চিত যে, রাসুল (সাঃ) এর আহলে বায়েতের পবিত্র ইমাম (আঃ) এর সংখ্যা বার জন । সূত্র - ইয়ানাবিউল মাওয়াদ্দাহ, ২/২৯২; নাফাহাত আল- আজাহার ফি খুলাসাতুল আনওয়ার, ২/৩২৮ । কোরআনের জ্যোতি ও আহলেবাইত (আঃ) মূল লেখক- সৈয়দ রিযওয়ান হয়দার রিযবী অনুবাদকঃ নূরুলহুদা অ্যাসোসিয়েশন (নাজাফী হাউস ছাত্রবৃন্দ) শিরোনামঃ কোরআনের জ্যোতি ও আহলেবাইত (আঃ) মূল লেখকঃ সৈয়দ রিযওয়ান হয়দার রিযবী অনুবাদকঃ নূরুলহুদা অ্যাসোসিয়েশন (নাজাফী হাউস ছাত্রবৃন্দ) প্রকাশকালঃ আরবী - রমযান ১৪৩৪ হিজরী, ইং- জুলাই ২০১৩, বাং- শ্রাবণ ১৪২০। প্রকাশকঃ নূরুলহুদা অ্যাসোসিয়েশন (নাজাফী হাউস ছাত্রবৃন্দ) যোগাযোগঃ নূরুলহুদা অ্যাসোসিয়েশন (নাজাফী হাউস ছাত্রবৃন্দ) মুবাইল মুম্বাইঃ ০৮০৮০০১৭১১২ আলী রেজা (রানা) (সোমপুর) ৮৯২৭৪৬৯৬৪৫ আসাদ রেজা (কুলিয়া) ৯০৯৩৫২২৯৩৪ মুশাব্বির খান (চন্ডিপুর) ৮৯২৭৩০৪৩২০ আবুতালিব গাজী (গোয়ালআটি) ৮১০০৯৩১৬২৪ মূল্যঃ ২৫ টাকা মাত্র হযরত মু হাম্মদ মোস্তফা (সঃ) প্রঃ(১) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর পিতা ও মাতার নাম কী ছিল? উঃ পিতা হযরত আবদুল্লাহ্ এবং মাতা হযরত আমিনা(রহঃ)। প্রঃ(২) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কবে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন? উঃ ১৭ই রবিউল আওয়াল, ১লা আম’আল-ফিল মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্রঃ(৩) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নাম কোরআনে কতবার এসেছে? উঃ পাঁচ বার। প্রঃ(৪) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স কত ছিল? উঃ ছয় বছর। প্রঃ(৫) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আসার পূর্বে কোন নবী তাঁর আগমনের খবর দিয়েছিলেন? উঃ হযরত ঈসা (আঃ)। প্রঃ(৬) কোন বছর কে আম’আল-হুযন বা দুঃখের বছর বলা হয়? উঃ যে বছরে হযরত আবুতালিব এবং হযরত খাদিজাতুল’কোবরার মৃত্যু হয়েছিল। প্রঃ(৭) প্রকাশ্য নব্যুয়ত প্রপ্তির সময় হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর বয়স কত ছিল? উঃ চল্লিশ বছর। প্রঃ(৮) সর্বপ্রথম হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নব্যুয়তের সাক্ষী কে দিয়েছিল। উঃ হযরত আলী ইবনে আবী তালিব (আঃ)। প্রঃ(৯) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর উপর সর্ব প্রথম কোথায় এবং কখন আয়াত অবতীর্ণ হয়েছিল। উঃ হেরা গুহায় সূরায়ে আলাকের পাঁচটি আয়াত। প্রঃ(১০) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে উম্মি কেন বলা হয়? উঃ হযরত ইমাম মুহাম্মদ তক্বী (আঃ) বলেনঃ মুহাম্মদ (সঃ) কে উম্মি এই জন্য বলা হয় যে, তিনি মক্কার বাসিন্দা ছিলেন এবং মক্কাকে উম্মুল কুরা বলা হয়। প্রঃ(১১) হযরত মুহাম্মমদ (সঃ)-এর কয় জন চাচা ছিলেন এবং কে তাঁর চরম শত্রু ছিল? উঃ নয় জন চাচা ছিল, এবং আবু লাহাব ও আবু জেহেল চরম শত্রু ছিল। প্রঃ(১২) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর কোন চাচার লাকাব (উপাধি) সাইয়েদুশ’শোহাদা ছিল? উঃ হযরত হামযা, তিনি ওহদের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। প্রঃ(১৩) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর মুয়াযযিন এবং কবি কে ছিলেন? উঃ মুয়াযযিন হযরতে বেলাল এবং কবি হলেন হযরত হেসান বিন সাবিত। প্রঃ(১৪) হিজরতের পরে সর্বপ্রথম তিনি (মুহাম্মদ সঃ) কী কাজ করেছিলেন? উঃ মসজিদ তৈরী করেছিলেন। প্রঃ(১৫) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) মদীনায় এসে সর্বপ্রথম কার ঘরে প্রবেশ করেছিলেন? উঃ আবু আইয়ুব আনসারির ঘরে। প্রঃ(১৬) খান্দক যুদ্ধের অপর নাম কী? উঃ আহযাব, যে নামে কোরআন মজিদে একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। প্রঃ(১৭) নবী (সঃ)-এর অংশ নেওয়া শেষ যুদ্ধের নাম কী? উঃ তবুক যুদ্ধ। প্রঃ(১৮) জেহাদে আকবর ও জেহাদে আছগর কাকে বলে? উঃ নবী (সঃ)-এর বাণী অনুযায়ী, নিজের নফসের সাথে লড়াই করাকে জিহাদে আকবর এবং শত্রুর সাথে লড়াই করাকে জেহাদে আছগর বলা হয়। প্রঃ(১৯) মিরাজের ঘটনা কোন সূরায় আছে? উঃ সূরায়ে ইসরার (ইসরাইল)। প্রঃ(২০) রমযান মাসের রোযা কবে ওয়াজিব করা হয়েছে? উঃ সন ২য় হিজরীর শেষ শাবানে, সেই বছরে প্রথম নামাযে ঈদ পড়া হয়েছিল। প্রঃ(২১) মুহাম্মদ (সঃ)-এর উপর শেষ আয়াত কোথায় নাযিল হয়েছিল এবং কোন সূরায় আছে? উঃ গাদীরে খুম নামক স্থানে হযরত আলী (আঃ)-এর ইমামতি ঘোষণার পরে এবং সূরা মায়েদায় আছে। প্রঃ(২২) মদ কত সনে হারাম হয়েছিল? উঃ সন চার হিজরীতে। প্রঃ(২৩) কোন সময় থেকে যোহর, আছর এবং এশার নামায চার রেকাত এবং মগরিবের নামায তিন রেকাত হয়েছিল? উঃ হিজরতের পূর্বে সকল নামায দুই রেকাত করে ছিল কিন্তু হিজরতের পরে সাত রেকাত নামায বাড়িত হয়ে যায়, সেই কারণে যোহর আসর এবং এশা চার রেকাত এবং মগরিবের নামায তিন রেকাত হয়ে যায়। প্রঃ(২৪) পর্দার হুকুম কবে এসেছিল এবং কোন সূরায় আছে? উঃ সন পাঁচ হিজরীতে এবং সূরায়ে নূরে আছে। প্রঃ(২৫) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কবে এবং কোথায় এন্তেকাল করেছিলেন। উঃ ২৮শে সফর ১১ হিজরী, মদিনায়। প্রঃ(২৬) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর ইন্তেকালের সময় তাঁর বয়স কত ছিল? উঃ তেষট্টী বছর। প্রঃ(২৭) হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে, কে গোসল ও কাফন কে দিয়েছিলেন? উঃ হজরত আলী (আঃ)। প্রঃ(২৮) হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর কবর কোথায়? উঃ মদিনায়, মসজিদু্ননববিতে। হযরত ফাতেমা যাহেরা (সঃ) প্রঃ(১) হযরত ফাতেমা যাহেরার পিতা মাতার নাম কী? উঃ পিতা হযরত মুহাম্মদ (সঃ) মাতা খাদিজাতুল কুবরা। প্রঃ(২) হযরত ফাতেমা (সঃ) কখন এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন? উঃ ২০জামাদিউসসানি, ৫ বেসাত মক্কায়। প্রঃ(৩) হযরত ফাতেমা (সাঃ) কে ফাতেমা কেন বলা হয়? উঃ দুটি কারণে (ক) তিনি সকল কুকর্ম হতে পবিত্র ছিলেন। (খ)তাঁর অনুসারীরা জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ প্রাপ্ত। প্রঃ(৪) হযরত ফাতেম (সঃ) কোন বিষয়ে রসূল (সঃ)-এর সদৃশ ছিলেন? উঃ কথাবার্তা ও চালচলনে। প্রঃ(৫) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর বিবাহ হযরত আলী (আঃ)-এর সঙ্গে কবে হয়েছিল? উঃ ১লা যিলহিজ্জা ২য় হিজরীতে। প্রঃ(৬) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর কয়টি সন্তান ছিলেন? উঃ ৫টি ইমাম হাসান (আঃ) ইমাম হুসাইন (আঃ) জনাবে জয়নব(সঃ) জনাবে উম্মে কুলসুম (সঃ) এবং হযরত মহসিন (আঃ)। প্রঃ(৭) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর দৃষ্টিতে নারীর সর্বশ্রেষ্ট গুন কী? উঃ তিনি বলেছেনঃ নারীর সর্বশ্রেষ্ট গুণ হল কোন পরপুরুষ তাকে দেখবে না এবং সে কোন পরপুরুষকে দেখবে না। প্রঃ(৮) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর সেই সেবিকার নাম কী, যিনি ২০বছর যাবত কোরআনের ভাষায় কথা বলেছিলেন? উঃ জনাবে ফিজ্জা। প্রঃ(৯) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর শাহাদত কবে ও কোথায় হয়েছে? উঃ ১৩ই জামদিউল আওয়াল বা ৩রা জামাদিউসসানি ১১ হিজরী, মদিনায়। প্রঃ(১০) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর শাহাদতের সময় তাঁর বয়স কত ছিল? উঃ ১৮বছর। প্রঃ(১১) হযরত আলী (আঃ), ফাতেমা যাহেরা (সঃ)-এর কবর নিশ্চিহ্ন করার জন্য কী করেছিল? উঃ সাত, নয়, বা চল্লিশটি কবর তৈরী করেছিলেন, যাতে কেউ না বুঝতে পারে। প্রঃ(১২) হযরত ফাতেমা (সঃ)-এর ক্ববর কোথায়? উঃ জান্নাতুল বাক্বীতে, রসূলের কবরের পাশে বা মসজিদুন্নববীতে রসূলের ক্ববর ও মেম্বারের মাঝে। প্রথম ইমাম হযরত আলী (আঃ) প্রঃ(১) হযরত আলী (আঃ)-এর বিখ্যাত উপাধি কী? উঃ আমিরুল মোমেনীন। প্রঃ(২) ইমাম (আঃ)-এর কন্নীয়ত বা পিতৃসূত্র নাম কী? উঃ আবুল হাসান। প্রঃ(৩) হযরত আলী (আঃ)-এর পিতা-মাতার নাম কী? উঃ পিতা-হযরত আবুতালিব এবং মাতা-হযরত ফাতেমা বিনতে আসাদ। প্রঃ(৪) হযরত আলী (আঃ) কবে এবং কোথায় জন্মগ্রহন করেন? উঃ নব্যুয়তের ১০ বছর পূর্বে ৩০ আমলফিল ১৩ই রজব ক্বাবা ঘরের ভিতরে। প্রঃ(৫) যিনি প্রথম মুসলমান এবং যিনি জানের বাজি লাগিয়ে ইসলাম এবং রসূলের সাহায্য করেছিল সে কে ছিল? উঃ হযরত আলী ইবনে আবিতালিব (আঃ)। প্রঃ(৬) মহানবী(সঃ)-এর ইন্তেকালের পরে হযরত আলী (আঃ) সর্বপ্রথম কী করেছিলেন? উঃ সর্বপ্রম তিনি কোরআন এক্ত্রিত করেছিলেন । প্রঃ(৭) হযরত আলী (আঃ) কোন ব্যেয়াম বেশী ভালবাসতেন? উঃ কুস্তি। প্রঃ(৮) ইসলামে সর্বপ্রথম সেজদায়ে’শুকর কবে এবং কে করেছিলেন? উঃ হিজরতের রাতে আলী (আঃ) রসুল (সঃ)-এর বিছানায় শুয়ে তিনি সেজদায়ে’শুকর আদায় করেছিলেন। প্রঃ(৯) হযরত আলী (আঃ) কত বছর প্রকাশ্য খেলাফত হতে দূরে ছিলেন? উঃ ২৫বছর প্রঃ(১০) হযরত আলী (আঃ) প্রকাশ্য খেলাফতে কত দিন ছিলেন? উঃ ৪বছর নয় মাস। প্রঃ(১১) হযরত আলী (আঃ)-এর খেলাফতের যুগে কয়টি যুদ্ধ হয়েছিল এবং কী কী? উঃ তিনটি অভ্যান্তরীন যুদ্ধ হয়েছিল। ১)জামালের যুদ্ধ (নাকিসিনের সঙ্গে) ২) সিফফীনের যুদ্ধ (ক্বাসেতিনের সঙ্গে) ৩) নাহরওয়ানের যুদ্ধ (মারেকিনদের সঙ্গে) প্রঃ(১২) সিফফীনের যুদ্ধ কবে শুরু হয়েছিল এবং কবে শেষ হয়েছিল? উঃ ৫ম সাওয়াল ৩৬ হিজরীতে শুরু এবং ১৮ মাস পরে শেষ হয়েছিল। প্রঃ(১৩) জামালের যুদ্ধ কোথায় হয়েছিল এবং বিরোধীদের পথপ্রদর্শক কে ছিল? উঃ বসরায়, বিরোধীদের পথ প্রদর্শক ছিল হযরত আয়েশা। প্রঃ(১৪) লাইলাতুল মুরিত কোন রাতকে বলা হয়? উঃ যে রাতে হযরত আলী (আঃ) রসূল (সঃ)-এর বিছানায় শুয়েছিলেন এবং রসুল (সঃ) কে মদিনার দিকে হিজরত করেছিলেন? প্রঃ(১৫) নাহজুল বালাগা কবে এবং কে সংকলন করেছিলেন? উঃ সৈয়দ রাজী চতুর্থ শতাব্দীতে (হিজরীতে)। প্রঃ(১৬) হযরত আলী (আঃ)-এর গোলামের (সেবকের) নাম কীছিল? উঃ জনাবে কাম্বার। প্রঃ(১৭) হযরত আলী (আঃ) কে, কে এবং কোথায় তলোয়ার মেরেছিল? উঃ ১৯ রমযান ৪০ হিজরীর ফজরের নামাযে আব্দুর রহমান ইবনে মুলজিম (লানাতুল্লাহে আলাইহ) মসজিদে কুফায়। প্রঃ(১৮) হযরত আলী (আঃ)-এর হত্যাকারীর পুরো নাম কী? উঃ আব্দুর রহমান ইবনে মুলজিম মুরাদি। প্রঃ(১৯) সূরা আদিয়াত কার প্রসংসায় নাযিল হয়েছিল? উঃ হযরত আলী (আঃ)-এর সফলতার জন্য যাতুস সালাসূলের যুদ্ধে ৮হিজরীতে অবতীর্ন হয়েছিল। প্রঃ(২০